
টানা বৃষ্টির ফলে চকরিয়ার বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার নিচু অংশে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কর্মজীবী ও দিনমজুর শ্রেণির মানুষ। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ছিল তুলনামূলকভাবে কম।
চকরিয়া উপজেলার হারবাং, বদরখালী, ডুলাহাজারা ও পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়কে পানি জমে চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে। অনেক এলাকায় নালা-নর্দমার পানি বাসাবাড়িতে ঢুকে পড়েছে। কৃষকেরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন মাঠের আমন বীজতলা ও সবজির ক্ষতি নিয়ে।
এদিকে, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকায় তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রেখেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় আরো ভারী বর্ষণের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল মালেক বলেন, “বৃষ্টির কারণে দোকান বন্ধ রাখতে হচ্ছে। বাড়ির সামনে হাঁটু সমান পানি জমেছে। এভাবে কয়েকদিন থাকলে শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়বে।”
পরিস্থিতির অবনতি হলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে সক্রিয় করার কথা জানিয়েছেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
আপনি চাইলে এই প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট ইউনিয়নের নাম, বৃষ্টিপাতের পরিসংখ্যান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধির বক্তব্য বা নিজের সংগৃহীত তথ্য যুক্ত করতে পারেন।
আরও আপডেট দরকার হলে জানাতে পারেন।
