কক্সবাজারের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় সূচিত হতে যাচ্ছে। আগামীকাল শনিবার (১৩ জুন) দীর্ঘ ১৯ বছর পর এক ভিন্ন প্রেক্ষাপটে প্রথম ঐতিহাসিক সফরে পর্যটন নগরীতে আসছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই ১২ ঘণ্টার সফরকে কেন্দ্র করে পুরো জেলাজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ এবং রঙিন প্রস্তুতি চলছে।
সকাল ১০টায় ঢাকা থেকে বিমানযোগে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। এই সফরে তাঁর মোট ১১টি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি ও উন্নয়ন উদ্যোগ রয়েছে। সফরের শুরুতেই তিনি পিএমখালীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলি খাল’ পুনঃখনন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন এবং স্থানীয় জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। এরপর একে একে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন, মালুমঘাট বনাঞ্চলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং পেকুয়ায় জুলাই আন্দোলনের বীর শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত ও তাঁর পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করবেন তিনি।
দিনব্যাপী এই সফরে শুধু স্মৃতিচারণই নয়, বরং কক্সবাজারের সামগ্রিক অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বদলে দেওয়ার মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্প ও মেগা কর্মসূচি রয়েছে, যা জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করতে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এরপর চকরিয়া বাস টার্মিনালে বিএনপি আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন। বিকেলে মেরিন ড্রাইভ ও সমুদ্র সৈকত এলাকা পরিদর্শন শেষে লং বিচ হোটেল মিলনায়তনে একটি সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন তিনি। রাত ১০টায় তিনি পুনরায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।
এই সফর কেবল রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ নয়, বরং কক্সবাজারের পর্যটন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের এক বিশাল মাধ্যম।

